চকরাজাপুর ইউনিয়ন
পদ্মার বুকে জেগে থাকা দ্বীপ চর ও নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর জীবনযুদ্ধ
ভৌগোলিক পরিধি: পদ্মার বুকে ১৫টি দ্বীপ চর (কালিদাসখালী, চৌমাদিয়া, লক্ষ্মীনগর, আতারপাড়া)
এলাকা পরিচিতি ও পটভূমি
বাঘার সম্পূর্ণ নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল চকরাজাপুর। সম্প্রতি পদ্মার তীব্র ভাঙনে পলাশি ফতেপুর, আতারপাড়া ও চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ১২০০+ পানিবন্দী পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়, উন্নত যোগাযোগ এবং স্থায়ী সিসি ব্লক বাঁধ নির্মাণ এখানকার প্রধান ও সর্বসম্মত দাবি।
প্রধান নিদর্শন, মোকাম ও কেন্দ্রসমূহ
বিদ্যমান সমস্যা ও নাগরিক সংকট
চকরাজাপুর ইউনিয়ন-এর স্থানীয় জনগণের সাথে ধারাবাহিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে চিহ্নিত প্রধান সংকটসমূহ:
পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে সরকারি বিদ্যালয়, বাড়িঘর ও শত শত বিঘা ফসলি জমি বিলীন
জরুরি চিকিৎসায় মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে স্পিডবোট বা আধুনিক নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের তীব্র সংকট
নদীভাঙনে স্থানান্তরিত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের অনিশ্চয়তা
বর্ষাকালে বিদ্যুৎহীনতা ও নিরাপদ সুপেয় পানির আর্সেনিক ঝুঁকি
শামীম সরকারের সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা
বাঘা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে চকরাজাপুর ইউনিয়ন-এর জন্য অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার:
পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে চকরাজাপুরের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং এবং স্থায়ী সিসি ব্লক নদী রক্ষা বাঁধ বাস্তবায়ন।
চরের গর্ভবতী মা ও জরুরি রোগীদের ২৪ ঘণ্টা মূল হাসপাতালে পৌঁছাতে বিশেষায়িত নৌ-অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু।
নদীভাঙনে বিলীন বিদ্যালয়গুলোর জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী বহুতল আশ্রয়কেন্দ্র কাম শিক্ষা ভবন নির্মাণ।
চরের কৃষকদের উৎপাদিত ফসল নৌপথে সুলভে বাজারে আনার জন্য স্থায়ী পাকা ঘাট ও সৌরবিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ।
বাঘা উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়ন রূপরেখা দেখতে চান?
আম শিল্পায়ন, পদ্মা নদীভাঙন রক্ষা ও তরুণ কর্মসংস্থানের পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি পড়ুন।
